ইগো কমান ভালোবাসা বাড়ান

image-ইগো কমান ভালোবাসা বাড়ান

আমি কে? আমার কি আছে? আমি এই, সেই ইত্যাদি এগুলো ইগো না। আমার তোমার মধ্যে কিসে পার্থ্যক্য আছে সেটা ইগো। আমার খারাপ দিক ও ইগো হতে পারে আবার ভালো দিক ও ইগো হতে পারে। আজ সোশাল মিডিয়ার কল্যাণে এই শব্দ টি অনেক ব্যবহৃত হচ্ছে কিন্তু অনেক মানুষ ই শব্দ টার সত্যিকারের অর্থ না বুঝে ব্যবহার করছে। এজন্য কোন একদিন এমন আসতে পারে যে বহুল প্রচলিত অর্থ এর জন্য সত্যিকারের অর্থ পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে। যাই হোক এই শব্দটি আসলে এসেছে ইন্দো ইউরোপীয়ান শব্দ  eǵHóm” থেকে। কিন্তু ইগো শব্দটির বর্তমানের অর্থের মিল অনুযায়ী এর উৎপত্তি ধরা হয় ল্যটিন ego”  শব্দ থেকে যার অর্থ  “আমি কেন্দ্রিক”। কিন্তু সাইকোলোজিতে ইগো শব্দটির অর্থ ধরা হয় নিজের সম্পর্কে সচেতনতা। যখন মানুষ মনে করে যে আমার এটা আছে যেটা অন্যের নাই সেটাই সাইকোলোজির ভাষায় ইগো। এবার আসি ভালোবাসার সাথে ইগোর কি সম্পর্ক! যখন মানুষ নিজের ব্যপার টা কে বড় করে দেখা ভুলে গিয়ে অন্যকে প্রাধান্য দেই অথবা অন্যকে নিজের মতো সমান ভাবে সেখান থেকেই ভালোবাসার অধ্যার শুরু হয়। এটা মানুষে মানুষে ভালোবাসার কথা বলছি, সাধারন প্রেম ভালোবাসা নয়! অর্থ্যাৎ অন্য আরেকজন কে সত্যিকারের ভালোবাসতে হলে ইগো টা কে প্রাধান্য দেওয়া যাবে না বরং সবাইকে সমান চোখে দেখতে হবে। ইগো কমানোর সহজ উপায় হলো সবাই কে সমান চোখে দেখা। একজন টোকায়, রিকশা চালক, বাস ড্রাইবার বা অন্যনা যারা আমাদের সেবা দিয়া যাচ্ছে তাদের কে যদি আমার নিজের মতো ই একজন মানুষ হিসেবে চিন্তা করি তাহলে ইগো এর মাত্রা কমে যাবে। আমরা একজন মানুষ আরেকজন কে ছাড়া নিজেদের জীবন কল্পনা করতে পারবো কি পারবো না এটা চিন্তা করলেই অনেকটুকু ইগো কমে যাবে। আজকে আমরা রিকশা চালকের সাথে কিছু টাকার জন্য অথবা বাবা মার সাথে সামান্য ব্যপার নিয়ে তর্কা তর্কি করি, উচ্চস্বরে কথা বলি। কিন্তু একবার চিন্তা করুন এই মানুষগুলো পৃথীবিতে না থাকলে ক্ষমতা টা কার সাথে দেখাতেন?

Comments • 0